প্রকাশিত : শুক্রবার , ১০ জুলাই ২০২৬ , রাত ০৮:০৫।। প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার , ৭ আগস্ট ২০২৬ , দুপুর ০১:২৫

কাউনিয়ায় বর্ষার আগমনে অপরূপ শোভা পাচ্ছে কদম ফুল


জহির রায়হান কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ বর্ষার আগমনে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে, বিশেষ করে হরিশ্বর গদাই,পাঞ্জরভাঙ্গা গ্রামে কদম গাছগুলোতে থোকায় থোকায় কদম ফুল ফুটে বর্ষার রূপ সৌন্দর্য ফুটে তুলেছে।

সরেজমিনে বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে জানাগেছে, আষাঢ়-শ্রাবণের বর্ষণমুখর পরিবেশে কদম গাছের অপরূপ সৌন্দর্য ও মিষ্টি সুবাস গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও বর্ষার রূপ ফুটিয়ে তোলে। বর্ষাকালই কদম ফুলের শোভায় শোভিত হয়! ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে কদমগাছে কদমফুল ফুটে থাকে। বর্ষা মওসুমে বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় কদম গাছ। তাতে দেখা যায় থোকা থোকায় বাহারী ফুল। আষাঢ়ের অপরূপ শোভা কদম ফুল।

কাউনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশফিকা বুলবুল পেস্তা জানান, ছয় ঋতুর দেশ আমাদের বাংলাদেশ। প্রাকৃতি প্রতিটি ঋতুতেই সাজে ভিন্ন ভিন্ন সাজে। প্রতিটি ঋতুতেই প্রকৃতির অপরূপ নতুন নতুন সৌন্দর্য প্রদর্শন কওে মানুষের জন্য। আষাঢ়-শ্রাবণ মাস বর্ষাকাল। আষাঢ় মাস শুরুর আগেই গ্রামবাংলায় কদমগাছে কদমফুল ফোটার দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। আমাদের কবিতায়, গানে, সাহিত্যে কদম ফুলের জুড়ি নেই।

কাউনিয়া মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আঃ কুদ্দুছ জানান, বিগত সময়ে গ্রাম বাংলায় প্রায় প্রতিটি গৃহস্থ্য বাড়িতে কদম গাছ দেখা যেত, কিন্তু কালের বিবর্তনে এবং এই গাছের বৃদ্ধি অত্যন্ত দ্রুত হলেও কাঠের মূল্য কম থাকায় আগের মতো আর দেখা যায় না। বর্তমানে যে গাছগুলো দেখা যায় তা অযতœ আর অবহেলায় বেড়ে উঠে। বর্ষাকে আমন্ত্রণ জানায় কদমফুল। শুধুমাত্র বর্ষাকালেই কদম ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য লক্ষ্য করা যায়।

ভেষজ চিকিৎসক রজব আলী জানান, কদম গাছের ওষুধি ব্যবহারও আছে। কদম গাছের ছাল জ্বরের ওষুধ হিসেবেও উপকারী। কদম পাতার রস কৃমি দূর করে। তাই সরকারী ভাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ রাস্তার ধারে এই গাছ রোপন করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।