প্রিন্ট ভিউ
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই নারীকে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে ইব্রাহিম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার বোয়ালমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গুনবহা ইউনিয়নের গুনবহা কামারগ্রামে প্রায় ১১ মাস আগে ভুক্তভোগী রবিউলের চাচি দুই সন্তান নিয়ে অন্যত্র চলে যান। এ ঘটনার বিষয়ে গত ১৮ জুন রাতে রবিউল তার ফুফু মঞ্জিলার সঙ্গে কথা কাটাকাটি করছিলেন। একপর্যায়ে ইব্রাহিম, তার বাবা ও ভাই ঘটনাস্থলে এসে রবিউলকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
রবিউলের চিৎকার শুনে তার মা ও দাদি এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় ইব্রাহিম লাঠি দিয়ে রবিউলের মা তাসলিমা বেগমের (৫০) হাতে আঘাত করেন, এতে তার হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া রবিউলের দাদি হেমেলা বেগমের (৬৫) অপারেশন করা চোখে আঘাত লাগে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে আহত দুই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী রবিউল মন্ডল বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
রবিউলের দাদি হেমেলা বেগম বলেন, আমি আগে থেকেই অসুস্থ। এরপরও আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
রবিউলের মা তাসলিমা বেগম বলেন, চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হলে আমাকে মারধর করা হয়। এতে আমার হাত ভেঙে গেছে। আমি এর বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে অপর অভিযুক্ত ইমারত মন্ডল বলেন, আমি কাউকে মারিনি। তবে আমার ভাই তার স্ত্রীকে মারতে গেলে রবিউলের মায়ের হাতে আঘাত লেগে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।