• ঢাকা
  • বৃহঃস্পতিবার , ৬ আগস্ট ২০২৬ , ভোর ০৫:০৭
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

জুলাইজুড়ে বোয়ালমারীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ মামলার আসামিসহ সাজাপ্রাপ্ত ১৩৫ জন গ্রেপ্তার

রিপোর্টার : স্টাফ রিপোর্টার
জুলাইজুড়ে বোয়ালমারীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ মামলার আসামিসহ সাজাপ্রাপ্ত ১৩৫ জন গ্রেপ্তার প্রিন্ট ভিউ

স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জুলাই মাসজুড়ে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ। মাসব্যাপী এই অভিযানে ধর্ষণ, মাদক, চুরি, দস্যুতা, মারামারি ও অন্যান্য অপরাধে দায়ের হওয়া ২৪টি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত আরও ১৩৫ জনকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে দিনের পাশাপাশি রাতেও পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালায়। এসব অভিযানে দীর্ঘদিন পলাতক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা হয়।

থানার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মোট ২৪টি মামলা রুজু হয়েছে। এর মধ্যে মাদক সংক্রান্ত ৫টি, ধর্ষণের ২টি, দস্যুতার ১টি, চুরির ১টি, অন্যান্য ফৌজদারি অপরাধের ৫টি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সামারি ট্রায়ালের ১০টি মামলা রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় আদালতের দেওয়া সাজাপ্রাপ্ত ১৩৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ বলছে, অপরাধ দমনের পাশাপাশি মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে- এমন যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। জুলাই মাসে বিভিন্ন অপরাধে দায়ের হওয়া ২৪টি মামলার আসামি এবং আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ১৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চোর, ছিনতাইকারী কিংবা যেকোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর। বোয়ালমারীকে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ কাজে আমরা সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিয়মিত পুলিশি অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের ফলে অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নিরাপত্তাবোধ বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন। তবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

জাতীয়

সারাদেশ

আরও পড়ুন